স্টাফ রিপোর্টার
মোঃ নজরুল ইসলাম//
দিন দিন বিদ্যুৎ বিল বেড়েই চলেছে, বিদ্যুতের এই বাড়তি বিলের কারনে প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের। পরিবার থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পখাত পর্যন্ত। মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে গিয়ে অনেকে চাপে পড়ছেন। আবার উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারেও বাড়ছে পণ্যের দাম। তাই সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ দেশের জনগণের বড়ই প্রত্যাশা, জনগন চায় বিদ্যুতের দাম কমানো হোক। মাসিক বিদ্যুতের দাম কমানো হলে সাধারণ মানুষের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে পাবে তাছাড়া পরিবারের বহন খরচও কমবে। এছাড়াও শিল্প এবং ব্যবসা-বাণিজ্য টিকে থাকবে। কল- কারখানার উৎপাদন খরচ কমলে দেশীয় পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে। প্রযুক্তি নির্ভর জীবন যাপন সহজ ও সুন্দরতম হবে, অনলাইনে কাজ, পড়াশুনা ও দৈনন্দিন ডিভাইস ব্যবহারে খরচ সাশ্রয়ী হবে। দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, কম খরচে উৎপাদন বাড়বে, নতুন নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।জনমনে প্রত্যাশা সঠিকভাবে সরকার উদ্যোগ নিলে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানো, সৌর বিদ্যুৎ ও বায়ু শক্তির মত উৎসে গুরুত্ব প্রদান, আধুনিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পুরাতন ও বেশি খরচের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বদলে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার জরুরী। অপচয় ও লাইন লস কমাতে স্মার্ট মিটার ও চৌকস নজরদারি বাড়ানো। যে সময় চাহিদা কম থাকে ঐ সময় কম মূল্যে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানো। প্রতিবেশী দেশের সাথে জ্বালানি সহযোগিতাও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ আমদানির মাধ্যমে খরচ কমানো সম্ভব। প্রান্তিক কৃষকদেরকে প্রয়োজন অনুযায়ী ভর্তুকি দিয়ে তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য সহায়তা প্রদান করলে সাধারণ জনগণ উপকৃত হবে। সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ শুধু বিল কমানো মূর্খ উদ্দেশ্যে নয় এই উদ্যোগ মানুষের জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা ও দেশের অর্থনীতির সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পরিকল্পিত ভাবে স্বচ্ছ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরো সহজলভ্য ও কম খরচে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা সম্ভব সরকারের কাছে এমন আশা প্রত্যাশা করে দেশের সর্বস্তরের জনগণ।।